Latest posts

ILMAN NAFIYA
22 Sept, 18:02
আল আসমাউল হুসনা . ২। আর-রহীম [ অতিশয় দয়ালু ] . সেই সত্তা, যার রহমত অনেক বেশি। যার প্রতি তাঁর রহমত বর্ষিত হবে, পরিপূর্ণরূপে হবে। #ilmannafiya


ILMAN NAFIYA
21 Sept, 18:44
আল আসমাউল হুসনা . ১। আর-রহমান [ সকলের প্রতি দয়াবান ] . সে সত্তা, যার রহমত ও দয়া অত্যন্ত প্রশস্ত, যা দিয়ে সকলেই উপকৃত হয়। . #ilmannafiya


ILMAN NAFIYA
19 Sept, 14:48
শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দিবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে! . আদ-দুহা : ৫


ILMAN NAFIYA
19 Sept, 06:55
তোমার রব তোমাকে ভূলে যাননি এবং অসন্তুষ্টও হননি! . আদ-দুহা : ৩


ILMAN NAFIYA
17 Sept, 15:39
📎 জুমু'আহ রিমাইন্ডার


ILMAN NAFIYA
15 Sept, 16:22
"রবের অবাধ্যতার মাঝে যে আনন্দ খুঁজে পায়, জাহান্নামও তাকে একদিন নিজের আনন্দের জন্য খুঁজে নিবে।" —আরিফ আজাদ


ILMAN NAFIYA
14 Sept, 17:10edited
রাসূলুল্লাহ সা এর দেয়া সাহাবীদের উপাধি . আবু হুরাইরা (রা) [ ইয়া আবা হির ] . আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘনিষ্ঠ সাহাবীদের একজন। তিনি রাসূলুল্লাহ সা-এর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন এবং তাঁর কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা তাঁকে স্নেহ করতেন এবং কখনো কখনো ভালোবাসা প্রকাশ করে তাঁকে ‘ইয়া আবা হির’ বলে ডাকতেন। ‘আবু হির’ অর্থাৎ ‘বিড়ালের পিতা’। ছোট বিড়ালছানার প্রতি তাঁর ভালোবাসার কারণেই তাঁর প্রসিদ্ধ নাম ‘আবু হুরাইরা ’,অর্থাৎ ‘ছোট বিড়ালের পিতা’ হয়ে যায়। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় স্নেহভরে বলতেন, ‘ইয়া আবা হির’ তথা ‘হে আবু হির!’ এটি কোনো আনুষ্ঠানিক উপাধি নয়, বরং রাসূলুল্লাহ সা-এর পক্ষ থেকে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি একটি স্নেহপূর্ণ সম্বোধন । . সহীহ বুখারি : ২০৪৭ [ লেখা : আরিফুল ইসলাম, তরুণ লেখক ]


ILMAN NAFIYA
14 Sept, 13:59
“আল্লাহর কালামের দিকে তাকানো ছাড়া একটি দিন বা রাত আমার জীবন থেকে চলে যাবে, এমনটা আমার মোটেও পছন্দ না।” . — উসমান ইবনে আফফান (রাদি.) কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমাদ: ৬৭৫


ILMAN NAFIYA
14 Sept, 09:16
"ইবলিশ যদি কখনো ওয়াসওয়াসা দেয়, 'তুমি তো বহুবার দুআ করেছ। কিন্তু কয়বার কবুল হতে দেখেছ?', তখন তাকে বলবে 'দুআ আমার কাছে ইবাদত। দুআর মাধ্যমে আমি রবেরই বন্দেগী করি।'" . — ইবনুল জাওযী (রহ.) সূত্র: সাইদুল খতির, পৃঃ ২২২


ILMAN NAFIYA
13 Sept, 14:57
নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে আছে সুখ! . আল-ইনশিরাহ : ৬


ILMAN NAFIYA
13 Sept, 14:17edited
হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের ওপর বাড়াবাড়ি করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না! . আয-যুমার : ৫৩


ILMAN NAFIYA
12 Sept, 15:49
আকাশের দিকে তোমার বারবার তাকানোকে আমি অবশ্যই লক্ষ্য করি... . আল-বাকারা : ১৪৪


ILMAN NAFIYA
11 Sept, 17:59
হে আমার রব! আমি তো আপনাকে ডেকে কখনও ব্যর্থ হইনি! . মারইয়াম : ৪


ILMAN NAFIYA
11 Sept, 13:13
"হে মুমিনগণ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে। যারা এমনটি করবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।" . সূরা আল-মুনাফিকুন আয়াত: ৯


ILMAN NAFIYA
11 Sept, 08:34
"মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিচ্যুত করার জন্য অসার বা অনর্থক কথাবার্তা (বা খেলাধুলা-কৌতুক) খরিদ করে এবং একে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে। এদের জন্যই রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।"সূরা লোকমান, আয়াত: ৬


ILMAN NAFIYA
11 Sept, 03:46
দুনিয়ার ব্যস্ততার মাঝে কিছু সময় দরুদের জন্য রাখুন; অন্তর প্রশান্ত হবে ইন শা আল্লাহ! . আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!


ILMAN NAFIYA
10 Sept, 15:14
দরুদের সৌন্দর্য হলো— আমি নবীজি ﷺ-এর প্রতি সালাম পাঠাবো, আর আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার ওপর রহমত নাযিল হবে! . আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম


ILMAN NAFIYA
8 Sept, 05:32
'বারাকাহ' একমাত্র নারী যিনি নবীজি (সা) এর জন্ম থেকে ওফাত সময় পর্যন্ত ৬৩ বছর নবীজির সাথে ছিলেন। দাসী হিসেবে মুক্তি এবং পরবর্তীতে বিবাহের পরে 'উম্মে আইমান' নামে পরিচিতি পান।
ILMAN NAFIYA
8 Sept, 05:24
'সুওয়াইবা' একজন বরকতময় নারী। যিনি নবীজি (সা) কে দুগ্ধ পান করান। রাসূলুল্লাহ (সা) ছাড়াও আরও তিনজন বিশিষ্ট সাহাবীকে দুগ্ধ পান করান।তারা হলেন- (১) নবীজির চাচা - হামজা (রা) (২) নবীজির চাচাত চাই - আবু সুফিয়ান ইবনে হারিস (রা) (৩) বিশিষ্ট সাহাবী আবু সালামা (রা)
ILMAN NAFIYA
7 Sept, 03:59
রোমান সম্রাট একজন সাহাবীকে বলেন- তুমি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে আমার অর্ধেক সাম্রাজ্য তোমাকে দিয়ে দেবো!তিনি কী করেন? . সেই সাহাবীর নাম ছিলো আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা (রা.)।উমর (রা.)-এর খেলাফতের সময় রোমানদের সাথে যুদ্ধে তিনি বন্দী হন। তাঁকে রোমান সম্রাটের সামনে নিয়ে যাওয়া হলো।সম্রাট বললেন, তুমি খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করো। তোমাকে মুক্ত করে দেবো।আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, এর চেয়ে হাজারবার মৃত্যুবরণ করাও আমার কাছে প্রিয়।সম্রাট এবার বললেন, ইসলাম ছেড়ে দিলে তোমাকে আমার মেয়ের সাথে বিয়ে দেবো এবং আমার সাম্রাজ্যের অর্ধেক তোমাকে দিয়ে দেবো।আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, তুমি তোমার পুরো সাম্রাজ্য দিলেও এক সেকেন্ডের জন্য মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীন ত্যাগ করবো না।এরপর সম্রাট তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করলেন। শূলে চড়ানো হলো, তীর ছোড়া হলো, এমনকি তাঁর চোখের সামনে এক মুসলিম বন্দীকে ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করা হলো। কিন্তু কিছুতেই তাঁর ঈমান টললো না।শেষে তাঁকেও ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া
Related Channels
Other channels in the same section of the catalogue.
